Wednesday, April 09, 2025
শ্রীরামপুরঃ ফেরি ঘাট, রায় ঘাট, নিশান ঘাট, পশু পাখির হাট
Tuesday, December 10, 2024
শ্রীরামপুর রাজবাড়ি/ গোস্বামী বাড়ি

"ধর্ম মানে আজান, ধর্ম মানে কাওয়ালি, মাইকেল এঞ্জেলোর পেইন্টিং। কত কত ফ্রেস্কোস, কত কত মন্দিরের গায়ে অসংখ্য কারুকার্য। ধর্ম মানে বাইবেল , কোরান, গীতা, ধর্ম মানে সাহিত্য, লিটারেচার। ধর্ম মানে এক কথায় আর্ট!"
শ্রীরামপুর রাজবাড়ি নিয়ে বলার আগে গোস্বামী পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া দরকার। এর সাথে সাথে দেখে নেব গোস্বামী পুরনো বাড়ি - যেখানে 'বুড়ি দূর্গা' পূজা হয়, গোস্বামীদের রাসমঞ্চ এবং রাজা কিশোরীলাল গোস্বামীর বাড়ি।
স্থানীয় মানুষ এই বাড়িটিকে শ্রীরামপুর রাজবাড়ি বললেও এটি আসলে গোস্বামীদের ঠাকুর দালান বাড়ি। অনেকে এটিকে গোস্বামী ম্যানসন বলেও থাকেন।
Wednesday, May 15, 2024
শ্রীরামপুরের অগ্নিযুগের বিপ্লবী গোপীনাথ সাহা
Thursday, August 24, 2023
শ্রীরামপুর: টাউন হল
Tuesday, August 08, 2023
শ্রীরামপুর - টি, সি, গোস্বামী ষ্ট্রীটের অন্যান্য বাড়িগুলি
Sunday, April 02, 2023
শ্রীরামপুরঃ ডেনমার্ক ট্যাভার্ন
Thursday, March 23, 2023
শ্রীরামপুরঃ চাতরা সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির
Wednesday, March 22, 2023
শ্রীরামপুরের শীতলা পুজো ও মেলা (চাতরা শীতলাতলা ও পটুয়াপাড়া)
শ্রীরামপুরের চাতরার শীতলাপুজোও খুব বিখ্যাত। এখানে পূজিত হন শ্রীরামপুরের তিন মা - বড় মা, মেজ মা এবং ছোট মা। তিন মা-ই আসলে মা শীতলা।
প্রায় ২০০ বছর আগে ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বসন্ত রোগ এক সময় মহামারীর আকার ধারণ করেছিল শ্রীরামপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে সাধক রামদাস শুরু করেন শীতলা পুজো। প্রসন্ন হয়ে দেবী শ্রীরামপুর ও সংলগ্ন এলাকাবাসীকে রোগমুক্ত করেন। আজ ভক্তদের একাংশের কাছে তিনি শ্রীরামপুরের রানি মা। আবার কিছু ভক্তের কাছে তিনি বড় মা। ঐতিহাসিক সুধীরকুমার মিত্র মনে করেন, বাংলা সালের ১২৬০ এর দশক থেকে এখানে শীতলা দেবীর আরাধনা চলছে। বর্তমানে শীতলা এস্টেষ্ট এই মন্দির এবং পুজোর দেখভাল করে।
Monday, March 06, 2023
শ্রীরামপুর : গোলোক ধাম
![]() |
| Outer Courtyard of Golok Dham (Serampore) (2020) |
গোলোকধাম শ্রীরামপুরের অন্যতম বিখ্যাত পুরোনো বাড়িগুলির মধ্যে একটি। ৪৩ Queen's street, বা অধুনা নেতাজি সুভাষ এভিন্যুউ-তে অবস্থিত এই বাড়িটি আসলে রায় পরিবারের বাড়ি। এই বাড়িটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোলোকচন্দ্র রায়। মনে করা হয় যে তিনি চৈতন্য মহাপ্রভুর একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও শিষ্য,বিখ্যাত বৈষ্ণব মাধব চন্দ্র বা মাধাই পণ্ডিতের ১৪-তম বংশধর।
Friday, March 03, 2023
Wednesday, March 01, 2023
শ্রীরামপুরঃ ইম্যাকুলেট কনশেপশন চার্চ
![]() |
| Main Church Building |
শ্রীরামপুর : চাতরার দোল মন্দির / কাশীশ্বর পীঠ
গৌরাঙ্গ মন্দির, কাশীশ্বর পীঠ বা কাশীশ্বর পণ্ডিতের শ্রীপাট, দোলতলা মন্দির নামেও এই মন্দিরটি পরিচিত। নামেই পরিষ্কার যে এই মন্দিরটি কাশীশ্বর পণ্ডিত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
ফ্রেডরিকনগরের দক্ষিণে মাহেশ ও বল্লভপুর আর উত্তরে চাতরা - বৈষ্ণবদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে বল্লভপুরের রাধাবল্লভ মন্দিরের স্থাপনা এই কাশীশ্বর পণ্ডিতের ভাগ্নে রুদ্ররামের হাতে৷
এই মন্দিরে দোল পার্বণ খুব ধুমধাম করে পালন হয়। তাই এর নাম দোল মন্দির বা দোলতলা মন্দির। উঁচু ভিত্তিবেদীর উপরে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণমুখী সমতল ছাদ বিশিষ্ট 'কাশীশ্বর পীঠ' মন্দিরের ছাদের উপরে পূর্ব-পশ্চিমে পাশাপাশি স্থাপিত তিনটি পিরামিড আকৃতির চূড়া দেখে মনে হয়, এখানে বাস্তুশাস্ত্রের ভাষায় 'ত্রৈকুটক' রীতিতে নির্মিত পাশাপাশি ও পরস্পর-সংলগ্ন তিনটি মন্দির রয়েছে। এদের মধ্যে মাঝখানের মূল মন্দিরের চূড়াটি অপেক্ষাকৃত উঁচু। মূল মন্দিরের সামনে দরজা এবং পিছনে জানালা। দুই পাশের মন্দিরগুলির সামনে এবং পাশে দুইটি করে দরজা। মূল মন্দির থেকে পাশের মন্দিরগুলিতে যাওয়ার জন্য ভিতরে আরও একটি করে দরজা আছে। তিনটি মন্দিরের সামনে একটি বারান্দা আছে, যা অনেক পরে নির্মিত হয়েছে।
Tuesday, February 28, 2023
শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতাল
শ্রীরামপুর: জেল/উপসংশোধনাগার
Sunday, February 26, 2023
শ্রীরামপুরঃ শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ জীউর মন্দির
Friday, February 24, 2023
শ্রীরামপুর: ইউনিক লজ
বর্ধমান-হুগলীর সীমান্তের দেবীপুর গ্রামের ভট্টাচার্য পরিবার ১৮০০ শতকের শুরুতে যশোরে চলে এলেও ১৮৬০ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কথামত কালীনাথ ভট্টাচার্য শ্রীরামপুরে এসে বসবাস শুরু করেন। কালীনাথ ছিলেন সংস্কৃতের পণ্ডিত - এখানে এসে দে পরিবারের শিশুদের শিক্ষক হিসাবে কাজ শুরু করেন। সেই শুরু ভট্টাচার্য পরিবারের শ্রীরামপুরের দে স্ট্রীটে থাকা। কালীনাথের ছেলে দূর্গাপ্রসন্ন (স্থানীয়দের কাছে পাঁচুবাবু বলে পরিচিত) চিকিৎসক হতে চাইলেও পরে পেশা হিসেবে বেছে নেন বাড়ি তৈরির কাজকে। ব্রিটিশদের তত্ত্বাবধানে তৈরি করতে থাকেন একের পর এক জুট মিল, সরকারি-বেসরকারি বাড়ি।
অর্থাজনের সাথে সাথে তিনি ছিলেন শৌখিন মানুষ। কলকাতার রাজেন্দ্র মল্লিকের মার্বেল প্যালেস ও চিড়িয়াখানার অনুকরণে দূর্গাপ্রসন্ন তৈরি করেন এই ইউনিক লজ এবং ডগ কেনেল। মূল দরজার বাইরে আছে দুটি সিংহ মূর্তি - এই জন্য ২১ নম্বর দে স্ট্রিটের এই বাড়িটি ‘সিংহ বাড়ি’ নামে পরিচিত।
Thursday, February 23, 2023
শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ইন্সটিটিউশন
শিক্ষার দিক থেকে শ্রীরামপুর কলকাতার থেকে কিছু কম ছিল না। ১৯০০-এর আগেই এখানে তিনটি স্কুল স্থাপিত হয় - দে স্ট্রীটে বল্লভপুর হাই স্কুল (১৮৬৭), কৃষ্ণমোহন ভট্টাচার্য স্ট্রীটে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ইন্সটিটিউশন (১৮৮৪) এবং চাতরায় নন্দলাল ইন্সটিটিউশন (১৮৭৩)।
কলকাতায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৬৪ সালে মেট্রোপলিটন স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এই শুনে শ্রীরামপুরের কিছু ভদ্রলোক কলকাতায় গিয়ে বিদ্যাসাগরের সাথে দেখা করে শ্রীরামপুরে এই স্কুলের একটি শাখা খুলতে অনুরোধ করেন। বিদ্যাসাগর মহাশয় তখন তাঁদেরকেই উৎসাহিত করেন নিজেদেরকেই একটি বিদ্যালয় শুরু করতে।
Tuesday, February 21, 2023
শ্রীরামপুর কুণ্ডু বাড়ি
কুণ্ডু বাড়ির খোঁজ আমি পাই ইণ্টারনেটে কিছু পোস্ট থেকে। শ্রীরামপুরে যে কয়েকটি বনেদীবাড়িতে দুর্গাপূজা হয় কুণ্ডুবাড়ি তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৮৮৫ সাল নাগাদ থাকোগোপাল কুণ্ডু এই দুর্গাপূজার সূচনা করেন। ইনি ছিলেন ঘি আর আখের গুড়ের ব্যবসায়ী - বিহার ও উত্তর প্রদেশ থেকে আমদানি করে বেশ পয়সা কামিয়ে ছিলেন। প্রথমে কুণ্ডুবাড়ির দূর্গা দালান বা চণ্ডীমণ্ডপটি ছিল খড় এবং মাটির তৈরি, পরে চুনসুরকি দিয়ে বানানো হয়। পরবর্তীকালে সিমেন্ট দিয়ে কিছু কিছু পুনঃনির্মাণ করা হয়। বর্তমান ঠিকানা ননীলাল ভট্টাচার্য ষ্ট্রীট।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ব্রিটিশ সৈন্যবাহিনী এই বাড়ির দখল নেয় এবং দূর্গাদালানটি ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করে। সেই মুর্হুতে একটি ভূমিকম্প হয় এবং শেষ অবধি ব্রিটিশ সৈন্যরা দূর্গাদালানটি না ভেঙ্গেই কুণ্ডুবাড়িতে থাকতে থাকে।
শ্রীরামপুর: দে বাড়ী

মাহেশ, বল্লভপুর ঘুরে এবার গন্তব্য শ্রীরামপুরের মূল শহর।
এবার আমাদের গন্তব্য দে স্ট্রীট। প্রথমেই যাব দে বাড়িতে। ঠাকুরদালান সম্বলিত এই বাড়ি প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো আর এখানকার দূর্গাপুজোও খুব বিখ্যাত। হুগলি জেলার বনেদী বাড়ির পুজোর লিস্ট করতে বসলে দে বাড়ির পুজোকে বাদ দেওয়া যাবে না। কাছেই দে ঘাট - দে পরিবার নিজেদের জন্য বানালেও এখন সবার জন্যই খোলা। এই ঘাটে এখন বেশ কিছু ছোট মন্দির দেখতে পাওয়া যায় - করুণাময়ী কালীমাতা, চৌরঙ্গী বাবা এবং দূর্গামাতার মন্দির।
দে বাড়িকে অনেকেই জমিদারবাড়ি বলে ভুল করে, কিন্তু এঁনারা ছিলেন মূলত কলকাতার বড়বাজারের লবণ ব্যবসায়ী। শ্রীজ্ঞানেন্দ্রনাথ কুমারের 'বংশ-পরিচয়' (২য় খণ্ড) (প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি, ১৯২২) থেকে জানা যায় যে ষোড়শ শতকের শুরুতে কলকাতা-সংলগ্ন দমদমার কাছে গীতী নামক গ্রামে এই বংশের আদি বাসস্থান ছিল, পরে শ্রীরামপুরের কাছে রিষিড়া গ্রামে চলে আসেন। মোটামুটি ১৭০০ এর শুরুতে এই বংশের পূর্ব-পুরুষ রামভদ্র দে ব্যবসা উপলক্ষে শ্রীরামপুরে স্থিতু হন। ১৭৪৮ সালে (বা ১৭৫০ সাল) দে পরিবারের দুর্গাপুজোর শুরু হয় রামভদ্র দে-র হাত ধরে।
Saturday, February 18, 2023
শ্রীরামপুর: বল্লভপুরের রাধাবল্লভ জীউ মন্দির
এবার আসুন বল্লভপুর। এখানে দেখে নিন ২৫০ বছরের বেশি পুরোনো রাধাবল্লভ মন্দির, সংলগ্ন রাসমঞ্চ, রাধা বল্লভ ঘাট। পাশেই আছে গঙ্গার ধারে নবনির্মিত শশ্মানকালীর মন্দির এবং উগ্রতারা তীর্থ। এর ঠিক উলটো পাড়ে বারাকপুর ও টিটাগড়ের মাঝে অন্নপূর্ণা মন্দির এবং রাসমণি ঘাট।
রাধাবল্লভ জীউ মন্দির
এই রাধাবল্লভের মন্দির থেকেই এই এলাকার নাম হয় বল্লভপুর।
এই মন্দিরের ইতিহাস সম্পর্কে দুটি মত আছে। একমত বলে যে এই মন্দিরের বিগ্রহের প্রতিষ্ঠা করেন রুদ্ররাম। রুদ্ররাম ছিলেন শাক্ত এবং তাঁর মামা ছিলেন শ্রীরামপুরের চাতরা নিবাসী বৈষ্ণবচূড়ামণী, শ্রীচৈতন্য পরিকর, পণ্ডিত কাশীশ্বর।
কাশীশ্বর পণ্ডিত ছিলেন অত্যন্ত গোঁড়া বৈষ্ণব। তিনি প্রতিদিন নিজের হাতে তাঁদের কুলদেবতা শ্রীকৃষ্ণের পূজা করতেন। তিনি কোন অ-বৈষ্ণবকে এই বিগ্রহ ছুঁতে দিতেন না। একদিন কোন কারণে তাঁর বাড়িতে ফিরতে দেরি দেখে তাঁর ভাগনে রুদ্ররাম শ্রীকৃষ্ণের পূজা সম্পন্ন করেন। বাড়ি ফিরে এসে কাশীশ্বর এই দেখে খুবই রাগ করেন এবং রুদ্ররামকে গালিগালাজ করেন। মনের দুঃখে রুদ্ররাম বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসে আকনায় (এখন বল্লভপুর) গঙ্গার ধারে এক জায়গায় আশ্রয় নেন এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রার্থনায় মগ্ন হন।
-
Though I made the caption as 'REMADE', these days commercial bengali films are just mere scene-to-scene copy and paste from sout...
-
In India Amazon Prime was offered initially at Rs 999 for shopping & Prime Video. Later it was revised to Rs 1499 for a year (in 2021). ...
-
New Delhi-HQed Bharti Airtel is the second largest mobile operator in India after Reliance Jio. Though it was originated from India, it had ...










