Showing posts with label শ্রীরামপুরের ইতিহাস. Show all posts
Showing posts with label শ্রীরামপুরের ইতিহাস. Show all posts

Wednesday, April 09, 2025

শ্রীরামপুরঃ ফেরি ঘাট, রায় ঘাট, নিশান ঘাট, পশু পাখির হাট

শ্রীরামপুরে যে ফেরি ঘাট-টি আছে সেটি গঙ্গা পেরিয়ে বারাকপুরের ধোবিঘাটের সাথে যুক্ত। এই ঘাটটি চাঁদনি ঘাট নামেও পরিচিত হলেও যুগল আঢ্য ফেরিঘাট নামেই বেশি পরিচিত। এছাড়া বল্লভপুরের ঘাট যুক্ত ওপারে রাসমণি ঘাটের সাথে, মাহেশের জগন্নাথ ঘাট যুক্ত ওপারের টিটাগড়ের লক্ষ্মী ঘাটের সাথে। যুগল আঢ্য ঘাট এবং ধোবিঘাটের মধ্যে ফেরি যোগাযোগের ইতিহাস অনেক পুরোনো, প্রায় ৩০০ বছর - প্রথমে নৌকা চলত। পরে আসে ভুটভুটি। এক সময় লঞ্চও চলত। কিন্তু গঙ্গার নাব্যতা কমে যাওয়ায় লঞ্চ বন্ধ হয়ে ভুটভুটি ফিরে আসে। ব্রিটিশ আমলে নাকি বারাকপুরের এই ঘাটে জামা-কাপড় ধুয়ে পরিষ্কার করত ধোপারা। সেই থেকেই এই ঘাটের নাম হয়ে যায় ধোবিঘাট।

Tuesday, August 08, 2023

শ্রীরামপুর - টি, সি, গোস্বামী ষ্ট্রীটের অন্যান্য বাড়িগুলি

শ্রীরামপুরের টি.সি.গোস্বামী ষ্ট্রীটের একটি বাড়ি নিয়ে আগেই লিখেছি - হানা হাউস। এই রাস্তার উপর আরো কয়েকটি পুরোনো বাড়ি আছে।   

Home of Bose Family, TC Goswami Street

35 T.C.Goswami Street-এ আছে বোস পরিবারের পরিত্যক্ত বাড়ি, একদম শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালের গা ঘেঁষে। 

Thursday, February 16, 2023

শ্রীরামপুর - ইতিহাসের পাতা থেকেঃ শুরুর কথা

২০১৮ সালে শ্রীরামপুরে গঙ্গার ধারে একটি পুরোনো ভাঙ্গাবাড়ি সংস্কার হয়ে ড্যানিশ ট্যাভর্ন বলে একটা নতুন হোটেল এবং রেস্তোরাঁ খোলে শ্রীরামপুরে। প্রথমে কিছুদিন রাজ্য ট্যুরিজম বোর্ড এটিকে চালালেও পরে এটিকে পরিচালনার দায়িত্ব আসে পার্ক হোটেলের হাতে। ঐতিহাসিক ড্যানিশ ট্যাভর্নের হাত ধরে রাজ্যের ফুড-মানচিত্রে শ্রীরামপুর স্থান দখল করে নেয়। খাওয়ার সাথেই আসে ঘোরা। ইতিহাস প্রেমী হন বা না হন শ্রীরামপুর এলে দারুণ দারুণ দেখার জায়গাগুলো মিস করবেন না। কে জানে ক'বছর পর এসব আর তাদের জায়গায় থাকবে কি না!

ব্যারাকপুরের বাসিন্দা হওয়ায় বহুবার ধোবিঘাটে এসে ওপাড়ের শ্রীরামপুরের গীর্জার চূঁড়া দেখেছি। কিন্তু তার তাৎপর্য বা ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিয়ে কোনদিন ভাবিনি। যাইহোক ঘুরতে যাওয়ার আগে একটু ইন্টারনেট সার্চ করতেই যা বুঝলাম ইতিহাসের খনি লুকিয়ে আছে গঙ্গার ওপাড়ে। 

গঙ্গার এই পাড়ে ব্যারাকপুর আর উল্টোপাড়ে শ্রীরামপুর, চন্দননগর, চুঁচুড়া আর ব্যান্ডেল - এই পাঁচটি শহর ছিল ইউরোপীয় উপনিবেশ - এবং এই অঞ্চলটিকে বলা হত - লিটল ইউরোপ।