Showing posts with label Krishna Bhabini Nari Sikhsha Mandir. Show all posts
Showing posts with label Krishna Bhabini Nari Sikhsha Mandir. Show all posts

Saturday, August 29, 2026

চন্দননগরঃ হরিহর শেঠ

দেশশ্রী হরিহর শেঠ

হুগলী নদীর ধারে একসময় ছিল লিটল ইউরোপ আর সেই ইউরোপের ফ্রান্স ছিল চন্দননগর। মানে বুঝতেই পারছেন যে চন্দননগরে ফরাসীদের উপনিবেশ ছিল। আর কাছাকাছি শ্রীরামপুরে ড্যানিশরা, চুঁচুড়াতে ডাচেরা, ব্যাণ্ডেলে পর্তুগীজরা এবং হুগলীর উল্টো পাড়ে বারাকপুরে ইংরেজরা ঘাঁটি গেড়েছিল। আজ চন্দননগর বললেই সবার মাথায় ঘোরে জগদ্ধাত্রী পুজো আর তার আলোকসজ্জা (যাকে চলতি কথায় বলে লাইটিং), সূর্যকুমার মোদকের জলভরা আর নদীর ধারে স্ট্রাণ্ড। আজকের গল্প সেই চন্দননগর নিয়ে যখন এখানে ফরাসীদের উপনিবেশ এবং ১৯০০-শতকে এই শহরের উন্নতির পিছনে থাকা একজন মানুষকে নিয়ে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ক'জন-ই বা মনে রেখেছেন হরিহর শেঠকে? সত্যি কথা বলতে চন্দননগর নিয়ে পড়াশুনা না করলে এঁনাকে আমি চিনতাম না।  

শ্রীরামপুর থেকে ডেন বা ড্যানিশরা চলে যায় ১৮৪৫-এ, তখন কলকাতার খ্যাতি গগনচুম্বী। ব্রিটিশরা সেভাবে আর এই পুরনো শহরের দিকে নজর দেয়নি। কিন্তু শ্রীরামপুরের বিখ্যাত গোস্বামী পরিবারের পরের পর প্রজন্মের এক-একটি মানুষ শহরের উন্নতিকল্পে দান করে গেছেন অকাতরে। গোস্বামীদের নাম সেই অর্থে আজকের প্রজন্ম মনে না রাখলেও শ্রীরামপুরের তথাকথিত রাজবাড়ি তো আসলে গোস্বামীদের-ই বাড়ি। সেই দিক থেকে দেখলে চন্দননগরের নব-রূপকার বা প্রাণপুরুষ হরিহর শেঠ (জন্ম: ১৪ ডিসেম্বর, ১৮৭৮ — মৃত্যু: ১০ মার্চ, ১৯৭২)-কে কিন্তু অনেকেই চেনেন না।